ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
সময় সংগ্রাম
সর্বশেষ

ফরিদপুর জেলা আইনজীবী সমিতি

ফরিদপুর জেলা আইনজীবী সমিতি চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বর্ধিত পরবর্তীবারবেদকফরিদপুরে চীফ জুডিস স্ট্রেট আদালত বর্ধিত ফরিদপুর জেলা আইনজীবী সমিতি। আদালতে আইনজীবীদের সঙ্গে অসঙ্গতিমূলক আচরণ, নিষ্পত্তি ও অবনাকর ভাষা ব্যবহার অভিযোগের প্রেমানে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর ১ থেকে ফরিদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ভোকেট খন্দকার লুৎফর রহমান পিলুর বিদায়ে এবং সাধারণ নির্বাচনে জসিম মৃধার সঞ্চালনায় জেলা আইনী সমিতি ভবনে এক জনসভাবী শক্তি হয়। সদস্য সমিতির সকল কার্যনির্বাহী সদস্যসহ প্রায় সকল আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।চক বলেন, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট একজন বিজ্ঞ বিচারক এবং তাকে সকলেই সম্মান ও শ্রদ্ধা করেন। তবে এর মধ্যে এই নয় যে তিনি আইনজীবীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ, অনুমতি ও ধমকি করবেন বা মনগড়া চাপিয়ে নিন।আইনজীবীদের অভিযোগ, চীফ জুডিসলিয়াজিস্ট্রেট প্রায়- ম্যাজুনিয়র নির্বিশেষে আইনজীবীদের সঙ্গেই ধমক, উদ্বোধন এবং অশালীন ও মস্তানী বিস্ময়কর কথা বলেন। এমন একজন একজন বিজ্ঞ বিচারের জন্য সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।সর্বজনীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ফরিদপুর সদর আদালত প্রাঙ্গণে আপনাকে চীফ জুডিস ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রকাশ করতে হবে। মান ম্যাজি স্ট্রেটকে ফরিদপুর অবিলম্বে না করা পর্যন্ত আদালতে বর্জন থেকে খবর থাকবে।জরুরি সভা থেকে আরও বেশি হয়, এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে জেলা প্রশাসক, জেলা জজ, আইন উপদেষ্টা এবং দেশটি দ্রুতগতিতে অবহিত করা হবে।আপনি সতর্ক করে বলেন, চীফডিসালজিস্ট্রেটের শুভেচ্ছা, ম্যাক এবং অজন্যমূলক ভাষার কারণে আদালতে আইনজীবীদের পাঠ ও ন্যায্য পরিবেশে কাজ করা কঠিন হওয়া। তারা সকল আইনজীবী পার্টনার থেকে একটি শিক্ষা ও মর্যাদা পূরণ নিশ্চিত করার জন্য এ পদক্ষেপ নে�

বান্দরবানে এয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রতীক বরাদ্দ, আচরণবিধি প্রতিপালনে প্রশাসনের কড়াকড়ি ।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রবাহিত তিস্তা, পদ্মাসহ সব অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন ইস্যুতে কূটনৈতিক আলোচনায় বসার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অতীতে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কার্যকর কোনো অগ্রগতি হয়নি; তবে বিএনপি ক্ষমতায় এলে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী বাস্তবসম্মত উদ্যোগ নেওয়া হবে।সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও শহরের কালীবাড়িস্থ নিজ বাসভবনে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল জানান, বিএনপি শুধু তিস্তা নয়—বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনার পথ বেছে নেবে। তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, কূটনৈতিক সৌহার্দ্য এবং জাতীয় স্বার্থকে সর্বাগ্রে রেখে এই আলোচনা পরিচালিত হবে।তিনি আরও উল্লেখ করেন, সীমান্তঘেঁষা জনপদের কৃষি উৎপাদন, আঞ্চলিক অর্থনীতি এবং সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা নদীর পানির ওপর নির্ভরশীল। তাই পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা বিএনপির দৃষ্টিতে কেবল রাজনৈতিক নয়, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দায়িত্ব। মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষায় অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না—এটাই বিএনপির অবস্থান।

​ওমরগনি এম.ই.এস. কলেজ এক্স ক্যাডেট ফোরাম OCECF-এর নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রবাহিত তিস্তা, পদ্মাসহ সব অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন ইস্যুতে কূটনৈতিক আলোচনায় বসার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অতীতে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কার্যকর কোনো অগ্রগতি হয়নি; তবে বিএনপি ক্ষমতায় এলে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী বাস্তবসম্মত উদ্যোগ নেওয়া হবে।সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও শহরের কালীবাড়িস্থ নিজ বাসভবনে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল জানান, বিএনপি শুধু তিস্তা নয়—বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনার পথ বেছে নেবে। তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, কূটনৈতিক সৌহার্দ্য এবং জাতীয় স্বার্থকে সর্বাগ্রে রেখে এই আলোচনা পরিচালিত হবে।তিনি আরও উল্লেখ করেন, সীমান্তঘেঁষা জনপদের কৃষি উৎপাদন, আঞ্চলিক অর্থনীতি এবং সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা নদীর পানির ওপর নির্ভরশীল। তাই পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা বিএনপির দৃষ্টিতে কেবল রাজনৈতিক নয়, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দায়িত্ব। মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষায় অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না—এটাই বিএনপির অবস্থান।

আমিও গানটার মায়া পড়ে গেলাম, পাশাপাশি সিংগারের মায়া ও পড়ে গেলাম / ফাগুনের ও মহুয়ায় মন মাতানো মহুয়ায়

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রবাহিত তিস্তা, পদ্মাসহ সব অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন ইস্যুতে কূটনৈতিক আলোচনায় বসার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অতীতে এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কার্যকর কোনো অগ্রগতি হয়নি; তবে বিএনপি ক্ষমতায় এলে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী বাস্তবসম্মত উদ্যোগ নেওয়া হবে।সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও শহরের কালীবাড়িস্থ নিজ বাসভবনে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল জানান, বিএনপি শুধু তিস্তা নয়—বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনার পথ বেছে নেবে। তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, কূটনৈতিক সৌহার্দ্য এবং জাতীয় স্বার্থকে সর্বাগ্রে রেখে এই আলোচনা পরিচালিত হবে।তিনি আরও উল্লেখ করেন, সীমান্তঘেঁষা জনপদের কৃষি উৎপাদন, আঞ্চলিক অর্থনীতি এবং সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা নদীর পানির ওপর নির্ভরশীল। তাই পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা বিএনপির দৃষ্টিতে কেবল রাজনৈতিক নয়, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দায়িত্ব। মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষায় অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না—এটাই বিএনপির অবস্থান।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় ‘ক্রাইম রিপোর্টার’ নিয়োগ

প্রতিদিনের বাংলাদেশ

ধানের শীষের পক্ষে রামনগর ইউনিয়নে উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ধানের শীষের পক্ষে রামনগর ইউনিয়নে উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

​ওমরগনি এম.ই.এস. কলেজ এক্স ক্যাডেট ফোরাম OCECF-এর নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত

​ওমরগনি এম.ই.এস. কলেজ এক্স ক্যাডেট ফোরাম OCECF-এর নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত

মধুখালি আর্মি ক্যাম্প কর্তৃক অস্ত্র ও এ্যামু সহ ০১ জনকে গ্রেপ্তার।

মধুখালি আর্মি ক্যাম্প কর্তৃক অস্ত্র ও এ্যামু সহ ০১ জনকে গ্রেপ্তার।

বরগুনা ১ আসনে প্রচার প্রচারণায় এগিয়ে হাতপাখার কর্মীরা

বরগুনা ১ আসনে প্রচার প্রচারণায় এগিয়ে হাতপাখার কর্মীরা

পটিয়ার কুসুমপুরায় লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং ইউনাইটেড স্টারস কতৃক আয়োজিত বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

পটিয়ার কুসুমপুরায় লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং ইউনাইটেড স্টারস কতৃক আয়োজিত বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

​ওমরগনি এম.ই.এস. কলেজ এক্স ক্যাডেট ফোরাম OCECF-এর নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত

​ওমরগনি এম.ই.এস. কলেজ এক্স ক্যাডেট ফোরাম OCECF-এর নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত

সদরপুরের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাল সনদ, অর্থ আত্মসাৎ ও জমি দখলের অভিযোগ

সদরপুরের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাল সনদ, অর্থ আত্মসাৎ ও জমি দখলের অভিযোগ

শীতে ডানার উৎসবে মুখর নিঝুম দ্বীপঅতিথি পাখির আগমনে প্রাণ ফিরেছে চর-নদীতে

শীতে ডানার উৎসবে মুখর নিঝুম দ্বীপঅতিথি পাখির আগমনে প্রাণ ফিরেছে চর-নদীতে

নির্বাচনে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক কার্ড পেতে আবেদন করবেন যেভাবে

নির্বাচনে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক কার্ড পেতে আবেদন করবেন যেভাবে

বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম মুক্ত বীরগঞ্জ গড়তে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম মুক্ত বীরগঞ্জ গড়তে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

চট্টগ্রামের ও আর নিজাম

চট্টগ্রামের ও আর নিজাম

শ্রীপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বাবু মজুমদারের নেতৃত্বে ধানের শীষের ভোট প্রার্থনা

শ্রীপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বাবু মজুমদারের নেতৃত্বে ধানের শীষের ভোট প্রার্থনা

মৌলভীবাজার জেলা শ্রীমঙ্গলে  হাইল হাওরে বেড়েছে বোরো ধানের আবাদ

মৌলভীবাজার জেলা শ্রীমঙ্গলে হাইল হাওরে বেড়েছে বোরো ধানের আবাদ

মহেশপুরে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল

মহেশপুরে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল

রাজনীতির নতুন দিগন্তে ডিজিটাল সংযোজন, জাহিদুর রহমানের আধুনিক নির্বাচনী ওয়েবসাইট

রাজনীতির নতুন দিগন্তে ডিজিটাল সংযোজন, জাহিদুর রহমানের আধুনিক নির্বাচনী ওয়েবসাইট

সুন্দরবন থেকে আসা হরিণ গ্রাম থেকে  উদ্ধার।

সুন্দরবন থেকে আসা হরিণ গ্রাম থেকে উদ্ধার।

শ্রীপুরে সব্দালপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া

শ্রীপুরে সব্দালপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া

শীতার্ত মানুষের পাশে লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং কর্ণফুলী এলিট

শীতার্ত মানুষের পাশে লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং কর্ণফুলী এলিট

কলিযুগের অমোঘ সত্য: যুধিষ্ঠিরের দূরদর্শিতা।

কলিযুগের অমোঘ সত্য: যুধিষ্ঠিরের দূরদর্শিতা।

লামা উপজেলা রিক্সা চালক সমিতির অফিস কার্যালয় থেকে জরুরী কাগজপত্র ও টাকা পয়সা আত্মসাৎ

লামা উপজেলা রিক্সা চালক সমিতির অফিস কার্যালয় থেকে জরুরী কাগজপত্র ও টাকা পয়সা আত্মসাৎ

সুন্দরবন থেকে আসা হরিণ গ্রাম থেকে উদ্ধার।

পুর্ব সুন্দরবন থেকে পথ হারিয়ে লোকালয়ে চলে আসা একটি চিত্রা হরিণ উদ্ধার করেছেন মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দারা। আজ রোববার দুপুরে উপজেলার চিলা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা হরিণটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোরের দিকে সুন্দরবন সংলগ্ন পশুর নদী পার হয়ে হরিণটি চিলা ইউনিয়নের তেলিগালি এলাকার জনপদে ঢুকে পড়ে।  হরিণ টিকে ঘুরতে দেখে স্থানীয়রা সেটিকে ধরার চেষ্টা করেন। বেশ কিছুক্ষণ প্রচেষ্টার পর এলাকাবাসী সম্মিলিতভাবে হরিণটিকে কোনো প্রকার আঘাত ছাড়াই নিরাপদে উদ্ধার করতে সক্ষম হন।হরিণটি উদ্ধারের খবর তাৎক্ষণিকভাবে পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জ কার্যালয়ে জানানো হয়। খবর পেয়ে বন বিভাগের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে হরিণটিকে নিজেদের জিম্মায় নেয়। বন কর্মকর্তারা জানান, উদ্ধারকৃত হরিণটি একটি প্রাপ্তবয়স্ক চিত্রা হরিণ এবং এটি শারীরিকভাবে সুস্থ রয়েছে।চিলা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা জানান, সুন্দরবনের কোলঘেঁষা এলাকা হওয়ায় মাঝেমধ্যেই বাঘ, হরিণ কিংবা অজগর লোকালয়ে চলে আসে। তবে বন্যপ্রাণী হত্যা না করে সেগুলোকে উদ্ধার করে বন বিভাগের হাতে তুলে দেওয়া এখন তাঁদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।এলাকাবাসীর সচেতনতার প্রশংসা করে বন বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন বন্যপ্রাণী রক্ষায় স্থানীয়দের এই ইতিবাচক ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। হরিণটিকে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ শেষে আবারও সুন্দরবনের গহীন অরণ্যে অবমুক্ত করা হবে।"

শ্রীপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বাবু মজুমদারের নেতৃত্বে ধানের শীষের ভোট প্রার্থনা

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শামীমুর রহমান বাবু মজুমদারের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা সাধারণ ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে মাগুরা-১ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মনোয়ার হোসেন খানের ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেছেন। রবিবার বিকেলে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের সাধারণ ভোটারদের কাছে গিয়ে তারা ভোট প্রার্থনা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিরান্নাহার, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মনোয়ার হোসেন নিলু, উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক সহ-সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন মিয়া, সদর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রস্তাবিত সভাপতি নাজমুল রাজু, সাধারণ সম্পাদক সমশের বিশ্বাস, ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সরজিৎ বিশ্বাস, সদর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মো. লিটন মোল্যা প্রমুখ।

সব বিভাগের খবর

জীবনের চারিপাশ

কালো আঁধারে রয়েছে ঢেকে আজ জীবনঘেরা চারিপাশ,চলছি একা নিভৃতে কালো আঁধারের মাঝে,একাকী জীবন।হতাশায় ছন্নছাড়া আঁকড়ে রয়েছে আজ দেহমন। তবুও জীবন আশাছন্ন আমার এক পথ চলা।চারিদিকে ছদ্মবেশী বহুরূপী মিথ্যের মাকড়শার মাঝে,ক্ষণে ক্ষণে ক্ষতবিক্ষত হয়ে, হৃদয় যাচ্ছে দুমড়েমুচড়ে আঘাতে আঘাতে দেহমন আজ লৌহ-ইস্পাত।ধীরে ধীরে নিজেও যেন যাচ্ছি হয়ে, সেই বহুরূপী। পাপের প্রেতাত্মা করছে ভড়,বিবেকের বেড়াজালে।নিজেকেই যেনো চিনতে নাহি পারছি আজ।নিষ্পাপ হয়েও রইলাম আমি, বন্দী কাঠগড়ায় কুচক্রীরা খুঁজে পেলো আজ,নিষ্পাপ দমানোর কাজ।নিরপরাদ হয়েও আজ বড় অপরাধী।যাদের দিলাম বুকভরা ভালোবাসা, তারাই হলো আজ পর।সুখে দুঃখে ছিলাম পাশে,নেই তারা আজ আমার পাশে।সময় বলে ছিলো এক কথা, বুঝলো না তারা আজ।দিনের পরে রাত, রাতের পরে দিন আসবেই চিরকাল। চিৎকার করে কাঁদিতে পারিনা আমি,লোকালয়ের ভয়ে। মনখুলে বলিতে পারিনা আমি,পরিস্থিতি ছিলোনা আমার অনুকূলে। হৃদয়ের  হৃদপিন্ডের মাংসগুলো, চিঁড়ে চিঁড়ে খাচ্ছে আমায়।কিভাবে বোঝাবো জীবনের চারিপাশ, আজ আমার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন।

বৈষম্য কাটিয়ে শ্রমিক বাঁচুক

আমি একজন শ্রমিক, এটাই আমার পরিচয়।কিন্তু তুমি ভুলে যাও শ্রমিকরাও মানুষ। কখনো জানতে চেয়েছো?  কতখানি বোবা কান্না জমে আছে আমার বুকে?জানতে চাইবেই বা কি করে? তুমি তো শিক্ষিত, ভদ্র, টাকাওয়ালা, বিনয়ী, সভ্যতার টিকাদারি নাম দিয়ে পায়ের উপর পা তুলে বসে আছো।এসব মিথ্যা জৌলুসের আড়ালে তুমি হারিয়েছ তোমার কোমল মনটিও।আমায় তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে, তুমি যেন সাহেব বনে যাও।আমায় তুই তুকারি করে, তুমি পৈশাচিক আনন্দ খুঁজে পাও।আমার গা থেকে দূর্গন্ধ বের হয় বলে তুমি রোজ নাক শিটকাও।তুমি ভুলে যাও - আমার গা থেকে দূর্গন্ধ বের হয় বলেই তোমার গা থেকে পারফিউমের গন্ধ বের হয়। ভুলে যাও - আমার পাঁজর ভাঙা পরিশ্রমে গড়ে উঠে তোমার সুসজ্জিত প্রাসাদ।হতে পারে আমার গায়ে দামি পোশাক নেই, কিন্তু আমার নিখুঁত হাতে তৈরি হয় তোমার স্বপ্নের পোশাক।হাড় ভাঙা পরিশ্রম করিয়ে তুমি আমায় নাম মাত্র মাইনে দাও।অবসর বা আনন্দ সে তো আমার কাছে বিলাসিতা!মনে রেখো -আমার ঘাম দিয়ে ইতিহাস লেখা হয়।দেশের অর্থনীতির চাকা এগিয়ে যায়।

রাজনীতি ও বিপ্লবের কবিতা

নুষ স্বভাবতই একটি রাজনৈতিক প্রাণী।’ ফলে তার ভেতর রাজনীতি সচেতনতা কাজ করে ন্যাচারালি। আর সেই ব্যক্তি যদি কবি হন, তাহলে তার রাজনৈতিক চেতনা হয়ে ওঠে আরও তীক্ষ্ণ। কারণ কবি তো অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেন না।আল্লামা ইকবাল বলেছেন, ‘কবিরা সমাজ দেহের চক্ষু, বাগানের মুক্ত পাখি এবং সত্যের দর্পণ।’ এই সত্য চেতনা তাকে করে তোলে আরও বেশি রাজনীতিপ্রবণ। আরও বেশি রাজনৈতিক। আমাদের আলোচিত কবি আবদুল হাই শিকদারও একজন রাজনীতি সচেতন কবি। তার রাজনীতি সচেতনতার পরিচয় যেমন মাঠের আন্দোলনে অর্থাৎ কর্মে তেমনি কাব্যেও। সাম্প্রতি কবি রফিক লিটনের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে কবি আবদুল হাই শিকদারের ‘রাজনীতি ও বিপ্লবের কবিতা’।শিরোনাম থেকে বোঝা যায় কবিতাগুলোর মেজাজ। ফলে নতুন করে বিষয়বস্তু নিয়ে আলাপ তুলে আপনাদের বিরক্ত করতে চাই না। তবে তার এ গ্রন্থটি পড়লে বাংলাদেশের রাজনীতির একটি চিত্র পাওয়া যাবে। আমাদের জাতীয় জীবনের অর্জনগুলোকে তুলে এনেছেন তিনি। পাশাপাশি ভুল রাজনীতির চিত্রও দেখা যায়। এমনকি সদ্য পলাতক খুনি হাসিনার ফ্যাসিবাদী চরিত্রের প্রকাশ তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের শুরুতেই ঘটেছিল, তার কিছু কাব্যিক প্রকাশ পাই কবির ‘এই বধ্যভূমি একদিন স্বদেশ ছিলো’ কবিতায়।তার আরেকটি উল্লেখযোগ্য কবিতা হলো ‘কে সিরাজদৌলা কে মীরজাফর’ এই কবিতার কিছু লাইন পড়া যাক: “শীতের রাতে যেটাকে কাশ্মীরি শাল বলে বার্তা পেয়েছিল জনপদ,/ ভোরের আলো ফোটার আগেই দেখা গেল,/ এ হলো সেই নেকড়ে যে মেষের চামড়া গায়ে জড়াতে জানে।/ ধার্মিকের ভান করে বেড রুমে ঢুকেছে জল্লাদ ট্রয়ের ঘোড়ার মতো মাসুম।” উপমার মাধ্যমে তুলে এনেছেন রাজনীতির ভেতরের গভীর ক্লেদকে। এটাই শিকদারীয় স্টাইল।তিনি বলেন তার মতো করে। তার এমন আরও দু-একটি কবিতার উদাহরণ উপস্থাপনের লোভ সংবরণ করতে পারছি না। আরও কিছু পঙ্ক্তি: “তুই জঘন্য তুই ইতর/ তুই তোর জন্মদাত্রী জননীকে অপবাদে মলিন করেছিস।/ নিজের সহধর্মিনীকে তুই মহাজনের শয্যায় যেতে বাধ্য করেছিস।/ তুই নপুংসক, তুই অমানুষ।!/ তুই মীরজাফরের চাইতেও নিকৃষ্ট/ তুই মইন ফখরের চাইতেও বেশি বেশি নেড়িকুত্তা!/ তোকে আমি তিন তালাক দিলাম।” (তালাকনামা)তার আলোচিত কবিতার মধ্যে একটি হলো ‘কসম’। এই কবিতার ভেতরে বিপ্লবের বীজ বপিত ছিল। যা তরুণ সমাজকে আলোড়িত করেছে বিভিন্ন সময়ে, সংগ্রামে, আন্দোলনে। এই কবিতার কয়েকটি লাইন থেকে তার নমুনা মিলবে। “কসম সালাম বরকত রফিক জব্বারের,/ কসম ১৯৭১ সালের,/ কসম কর্ণফুলীর তীরে অপেক্ষমাণ আমাদের ভবিষ্যতের,/ কসম শাহজালালের আজান ধ্বনির,/ কসম আমার মন্দির মসজিদ গির্জা প্যাগোডার,/ কসম লক্ষ লক্ষ শহীদের প্রতি ফোঁটা রক্তের,/; কসম কসম কসম আমরা এইসব করবো।/ তারপর জমজমের পানিতে ধুয়ে নেব মাতৃভূমির শ্রান্ত ক্লান্ত ব্যথিত শরীর।” তার ‘সাঈদ’ কবিতাটিও যদি লক্ষ করি সেখানেও দেখব বিপ্লবের সুর : “সাঈদ সাঈদ বলে ডেকে ডেকে পাড়া মাত করি,/ ও পুত্র, বাপ আমার, ফিরে আয় আগ্নেয় মশাল ধরি।” কিংবা “ঘাতকের হাতে রক্ত ঝরছে দেশে,/ আমরা রয়েছি রক্তের পরিবেশে।/ তবু বুক টান করে দাঁড়িয়ে যাচ্ছ তুমি,/ তোমার গর্বে কাঁদছে মাতৃভূমি।/ 

শ্যামলিমার গল্প

জারুল জামরুল বনে হৈমন্তী  হাওয়া বইছে, সেই হাওয়ায় হাফসার উসকোখুসকো চুলগুলো উড়ছে। অবহেলায় অযত্নে চুলের নীচগুলো ঝড়ে গেছে। যেটুকু আছে,,,তা সুপারি পাতার ন্যায় শুধু আকাশের দিকেই চেয়ে থাকে সারাক্ষণ। খানিক দূরেই তার বাবার বাড়ি,,, হাঁটতে হাঁটতে কখন যে পৌছে গেলো তা হাফসার চৈতন্যেই আসলো না। বাড়িতে ঢুকার সময় কী যেন মনে করে বাইবাড়ির গোয়ালঘরে একবার ঢু মেরে আসলো সে। উঠোনে এক কোণে বসে হাফসার মা ধানের সঙ্গে সখ্যতা করছেন। একটু পরেই দাওয়ায় বসবেন। হাফসার দিকে মায়ের চোখের ঝিলিক পরতেই তাকে বললেন  __কীরে হাফু, কই ছিলি এতক্ষণে? হাফসা জবাব দেয় না। কী করে মাকে বলবে মাঝিবাড়ির জলপাই গাছ থেকে জলপাই আনতে গেয়েছিল! তাও আবার চুরি করতে। পরনে তার ছেঁড়া জামা -পাজামা। উড়নাটা পেঁচিয়ে গলা থেকে কোমর পর্যন্ত গাইট বাঁধা। হাফসা তখনও নির্বাক। ভয়ে বুক কাঁপছে তার।এমন সময় মা বললেন,  " যা___ ঘর থেকে কুলা, ঝাটাই, আর পিঁড়িটা নিয়ে আায়"।একচুটে হাফসা ঘরে ঢুকে আর হাপাতে হাপাতে মনে মনে বলে, যাক" বাবা বাঁচা গেলো __তবে। হাফসা ঘর থেকে দাওয়ার সব জিনিসপত্র আনতে আনতে দেরি হওয়ায়, মা তাকে আরও দু'চারিটি ধমক শোনায়। যখন হাফসার হাত থেকে ঝাটাইটা মাটিতে নামাতে যায়, অমনি তার ওড়নার প্যাঁচে গিট বাঁধা কুটুরি থেকে দুটো জলপাই মাটিতে পড়ে যায়। মা দেখে ফেলে তৎক্ষনাৎ হাফসা ওগুলো কুড়িয়ে হাতের মুঠোয় নিয়ে নেয়। " হতচ্ছাড়ি বাঁদড় " কোথায় গিয়েছিলি বল?  চুরি করতে নাকি? হাফসা আবারও নির্বাক তাকিয়ে রয়। সে বাকরুদ্ধ হয়ে ঠাঁই দাড়িয়ে থাকে দারোগা মায়ের সামনে।তার জবাব দিচ্ছে না দেখে মা তাকে, নারকেল পাতার সলার ঝাটাই দিয়ে পিঠাতে শুরু করতেই, হাফসা ফুড়ুৎ করে দৌড়ে একেবারে অন্তঃপুরের বাইরে চলে যায়। গোয়ালঘরের পেছনে দিঘির পাড়ে বাঁশের মাচায় বসে থাকে। হাফসা হাপাতে থাকে, পাশের কড়ই গাছ থেকে একটি শুকনো ডাল ভেঙে পরায় সে  থতমত খেয়ে যায় রীতিমতো। এই বুঝি মা আসছে "ঝাটাই নিয়ে"। ভয়ে ভয়ে পেছন ফিরে তাকায় সে। কই, না তো মা আসেনি। বরং ডাল ভেঙে পড়েছে উপর থেকে। আসলে কথায় আছে না! " চোরের মন পুলিশ পুলিশ"। সে এবার ভাবতে থাকে একটু নুন আনা যায় কি

নির্বাচনে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক কার্ড পেতে আবেদন করবেন যেভাবে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের কার্ড প্রদানের প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এবার প্রথমবারের মতো সাংবাদিক পর্যবেক্ষক কার্ড ও গাড়ির স্টিকার পেতে অনলাইনে আবেদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ওয়েবসাইট pr.ecs.gov.bd–এর মাধ্যমে এ আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।যেভাবে করবেন রেজিস্ট্রেশন :ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর ধাপে ধাপে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, ইমেইল ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিতে হবে। সব ধাপ পূরণ করার পর প্রদত্ত মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি (OTP) পাঠানো হবে। ওটিপি যাচাইয়ের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হবে।লগইন করে আবেদন :রেজিস্ট্রেশন শেষে মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে নির্বাচনে সাংবাদিক পর্যবেক্ষক হিসেবে কার্ডের জন্য আবেদন করতে হবে।স্থানীয় সাংবাদিক (জেলা-উপজেলা) সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত তথ্যের আগে আবেদনকারীর বর্তমান অবস্থানের তথ্য দিতে হবে।সেক্ষেত্রে আবেদনের নিদিষ্ট অংশে বিভাগ, জেলা, নির্বাচনী আসন ও উপজেলা/থানার তথ্য বাধ্যতামূলক দিতে হবে।আবেদন প্রক্রিয়ার ধাপসমূহ :লগইন করার পর প্রথম ধাপে আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তথ্য দিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, জন্মতারিখ ও লিঙ্গ।পরবর্তী ধাপে মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে প্রদান করতে হবে। এতে গণমাধ্যমের নাম, প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা, ইমেইল, ফোন নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর উল্লেখ করতে হবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নিবন্ধন প্রমাণপত্র ও সর্বশেষ পত্রিকার কপি সংযুক্ত করতে হবে।এছাড়া বাধ্যতামূলক সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনুমোদিত সাংবাদিকদের তালিকা ফাইল আকারে আপলোড করতে হবে। একই সঙ্গে ওই তালিকায় আবেদনকারী সাংবাদিকের নাম কত নম্বরে রয়েছে, তা নির্দিষ্ট ঘরে উল্লেখ করতে হবে।গাড়ির স্টিকার :গাড়ির স্টিকার প্রয়োজন হলে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ অপশন নির্বাচন করতে হবে। ‘হ্যাঁ’ নির্বাচন করলে গাড়ির সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রের তথ্য দিতে হবে।চূড়ান্ত সংযুক্তি :আবেদনের শেষ ধাপে আবেদনকারীর অফিস আইডি, ইস্যুর তারিখ, মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ, ছবি, স্বাক্ষর এবং জাতীয় পরিচয়পত্র কার্ড নির্ধারিত ঘরে ফাইল আকারে আপলোড করতে হবে।সব ধাপ সঠিকভাবে সম্পন্ন করে সবুজ অংশে ক্লিক করে আবেদন জমা দিলে আবেদন সম্পূর্ণ হয়েছে বলে দেখাবে।আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন কিউআর কোড সংবলিত একটি কার্ড পিডিএফ আকারে প্রদান করবে। ওই কার্ড প্রিন্ট করে গণমাধ্যমকর্মীরা নির্বাচনে সংবাদ সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি অনুমোদন পাবেন।

রোনো রাউটার / পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার

রোনো রাউটারকে Access Point (AP) Mode এ চালিয়ে ইথারনেট কেবলের মাধ্যমে মূল রাউটারের সঙ্গে যুক্ত করুন। এতে নেটওয়ার্কের গতি ও স্থায়িত্ব বেশি থাকবে। এর জন্য রাউটার রিসেট করে, ফার্মওয়্যার আপডেট করে, LAN থেকে WAN-এ কেবল সংযোগ দিয়ে ওয়েব সেটিংসে গিয়ে AP মোড চালু করতে হবে। ২. রিপিটার মোডে তারহীন সংযোগ যদি তার টানার সুযোগ না থাকে, তাহলে রিপিটার মোড ব্যবহার করুন। এতে পুরোনো রাউটার মূল ওয়াই-ফাই সংকেত ধরবে এবং নতুন নামে পুনঃসম্প্রচার করবে। তবে মনে রাখবেন, এতে ইন্টারনেটের গতি কিছুটা কমে যায়-প্রায় অর্ধেক হতে পারে। ৩. প্রতিটি রাউটারের পদ্ধতি আলাদা হতে পারে সব রাউটার AP বা রিপিটার মোড সমর্থন করে না। তাই রাউটারের ইউজার ম্যানুয়াল বা নির্মাতার ওয়েবসাইট থেকে নির্দেশনা দেখে নিতে হবে। কিছু ক্ষেত্রে থার্ড পার্টি ফার্মওয়্যার (যেমন: DD-WRT) ব্যবহার করেও বাড়তি ফিচার চালু করা সম্ভব।

সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়েরা কেন বেশি বিপর্যস্ত, কী বলছে গবেষণা?

অন্যদিকে একই বয়সি ছেলেদের ক্ষেত্রে এ হার মাত্র প্রতি ১০ জনে একজন। গবেষণাটি পরিচালনা করেছে যুক্তরাজ্যের পাবলিক হেলথ ওয়েলস (PHW) ও কার্ডিফ ইউনিভার্সিটি।গবেষণায় দেখা গেছে, নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেয়েরাই সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। দশম শ্রেণির ১৪-১৫ বছর বয়সি ২১ শতাংশ মেয়ে এবং নবম শ্রেণির ১৩-১৪ বছর বয়সি ২০.৫ শতাংশ মেয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে নেতিবাচক অভিজ্ঞতা হয়েছে বলে জানায়। ছেলেদের ক্ষেত্রে একই বয়সে এ হার যথাক্রমে ১০.১ এবং ৯.৮ শতাংশ। ১৩ বছর বয়সি লয়েস জানায়, ‘কখনো কখনো শুধু সময় কাটানোর জন্য ফোন হাতে নিই। কিন্তু বুঝতেই পারি না কখন দুই ঘণ্টা পেরিয়ে যায়! এটা মাঝেমধ্যে ভয় পাইয়ে দেয়।’ গবেষণায় অংশ নেওয়া অনেকে জানিয়েছে, খেলাধুলা বা শখের কাজ বাদ দিয়ে তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় দিচ্ছে।পিএইচডব্লিও-এর স্বাস্থ্য উন্নয়ন পরামর্শক এমিলি ভ্যান দে ভেনটার জানান, মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় বেশি সময় রাতেও ডিভাইস ব্যবহার করে এবং বেশি রিপোর্ট করে যে তারা সাইবার বুলিয়িংয়ের শিকার হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ার কিছু সুবিধা থাকলেও টিনএজারদের মানসিক স্বাস্থ্যর ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব স্পষ্ট। বিষণ্নতা, উদ্বেগ ও আত্মমূল্যায়নের ঘাটতির পেছনে এটি একটি বড় ভূমিকা রাখছে।’ তিনি আরও পরামর্শ দেন, রাতে ডিভাইসের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা, ঘুমানোর ঘরে ফোন না রাখা এবং ঘুমের আগে সামাজিক মাধ্যমে প্রবেশ না করার অভ্যাস তৈরি করলে সমস্যা কিছুটা কমে আসতে পারে। জরিপটিতে সপ্তম থেকে একাদশ শ্রেণির প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এটি কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য, সম্পর্ক, স্কুল জীবন ও প্রযুক্তি ব্যবহারের নানা দিককে ঘিরে সবচেয়ে বৃহৎ ও তথ্যবহুল জরিপগুলোর একটি

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাণিসম্পদ বিভাগের কার্যক্রম জোরদারে কর্মকর্তাদের সঙ্গে উপপরিচালকের মতবিনিময়

ঠাকুরগাঁওয়ের প্রতিনিধিহাসিনুজ্জামান মিন্টুঠাকুরগাঁও জেলায় প্রাণিসম্পদ খাতের চলমান কার্যক্রম আরও কার্যকর ও গতিশীল করার লক্ষ্যে প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৯ জানুয়ারি ২০২৬) অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ তারেক হোসেন।মতবিনিময় সভায় জেলার প্রাণিসম্পদ বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেন। সভাকালে উপপরিচালক ডা. তারেক হোসেন ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রাণিজ আমিষ উৎপাদনের বর্তমান অবস্থা, মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা, বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা এবং সম্ভাবনার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিস্তারিত মতামত শোনেন। তিনি এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাস্তবসম্মত ও টেকসই উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঠাকুরগাঁও জেলার জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ইজাহার আহমেদ খান। তিনি তার বক্তব্যে জেলার প্রাণিসম্পদ খাতে অর্জিত সাফল্য, চলমান প্রকল্পসমূহ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে আলোকপাত করেন।সভা শেষে উপপরিচালক ডা. মো. তারেক হোসেন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবায়নাধীন প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতাভুক্ত সুবিধাভোগীদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি প্রকল্পের কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও কারিগরি পরামর্শ প্রদান করেন।এছাড়া সফরের অংশ হিসেবে তিনি ঠাকুরগাঁও সদরের একটি চিজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র এবং লোকায়ন জাদুঘর পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে এসব কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি সম্পন্নের মধ্য দিয়ে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপপরিচালকের সরকারি সফর শেষ হয়।

নির্বাচনে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক কার্ড পেতে আবেদন করবেন যেভাবে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের কার্ড প্রদানের প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এবার প্রথমবারের মতো সাংবাদিক পর্যবেক্ষক কার্ড ও গাড়ির স্টিকার পেতে অনলাইনে আবেদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ওয়েবসাইট pr.ecs.gov.bd–এর মাধ্যমে এ আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।যেভাবে করবেন রেজিস্ট্রেশন :ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর ধাপে ধাপে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, ইমেইল ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিতে হবে। সব ধাপ পূরণ করার পর প্রদত্ত মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি (OTP) পাঠানো হবে। ওটিপি যাচাইয়ের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হবে।লগইন করে আবেদন :রেজিস্ট্রেশন শেষে মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে নির্বাচনে সাংবাদিক পর্যবেক্ষক হিসেবে কার্ডের জন্য আবেদন করতে হবে।স্থানীয় সাংবাদিক (জেলা-উপজেলা) সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত তথ্যের আগে আবেদনকারীর বর্তমান অবস্থানের তথ্য দিতে হবে।সেক্ষেত্রে আবেদনের নিদিষ্ট অংশে বিভাগ, জেলা, নির্বাচনী আসন ও উপজেলা/থানার তথ্য বাধ্যতামূলক দিতে হবে।আবেদন প্রক্রিয়ার ধাপসমূহ :লগইন করার পর প্রথম ধাপে আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তথ্য দিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, জন্মতারিখ ও লিঙ্গ।পরবর্তী ধাপে মিডিয়া প্রতিষ্ঠানের তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে প্রদান করতে হবে। এতে গণমাধ্যমের নাম, প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা, ইমেইল, ফোন নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর উল্লেখ করতে হবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নিবন্ধন প্রমাণপত্র ও সর্বশেষ পত্রিকার কপি সংযুক্ত করতে হবে।এছাড়া বাধ্যতামূলক সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অনুমোদিত সাংবাদিকদের তালিকা ফাইল আকারে আপলোড করতে হবে। একই সঙ্গে ওই তালিকায় আবেদনকারী সাংবাদিকের নাম কত নম্বরে রয়েছে, তা নির্দিষ্ট ঘরে উল্লেখ করতে হবে।গাড়ির স্টিকার :গাড়ির স্টিকার প্রয়োজন হলে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ অপশন নির্বাচন করতে হবে। ‘হ্যাঁ’ নির্বাচন করলে গাড়ির সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রের তথ্য দিতে হবে।চূড়ান্ত সংযুক্তি :আবেদনের শেষ ধাপে আবেদনকারীর অফিস আইডি, ইস্যুর তারিখ, মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ, ছবি, স্বাক্ষর এবং জাতীয় পরিচয়পত্র কার্ড নির্ধারিত ঘরে ফাইল আকারে আপলোড করতে হবে।সব ধাপ সঠিকভাবে সম্পন্ন করে সবুজ অংশে ক্লিক করে আবেদন জমা দিলে আবেদন সম্পূর্ণ হয়েছে বলে দেখাবে।আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন কিউআর কোড সংবলিত একটি কার্ড পিডিএফ আকারে প্রদান করবে। ওই কার্ড প্রিন্ট করে গণমাধ্যমকর্মীরা নির্বাচনে সংবাদ সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি অনুমোদন পাবেন।

শ্রীপুরে সব্দালপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার সব্দালপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শনিবার সকালে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সালেক মূহিদ  এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলার উদ্বোধন করেন মাগুরার জেলা প্রশাসক মো: আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রকোশলী অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকোশলী মো: হাসান শওকত, বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পরিচালক মো: হুসাইন শওকত, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি মোঃ তানভীর আহমেদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারুণ অর রশিদ। ক্রীড়ানুষ্ঠানে ৩৮ টি ইভেন্টে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতা শেষে অতিথিগণ প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ।

অবৈধ অভিবাসীদের সুখবর দিল ফ্রান্স

উল্লেখ্য, এবারই প্রথম আবেদনকারীরা নিয়োগকর্তার সরাসরি অংশগ্রহণ ছাড়াই নিজে থেকে আবেদন করতে পারবেন। ভাষা জ্ঞান এখন বড় চ্যালেঞ্জ ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে পাস হওয়া নতুন অভিবাসন আইনে ভাষা জ্ঞান সংক্রান্ত শর্ত আরও কঠোর করা হয়েছে। বহু বছরের বাসস্থান কার্ড পেতে এখন B1 স্তরের (পূর্বে A2) ফরাসি ভাষা দক্ষতা প্রয়োজন। আর ১০ বছরের রেসিডেন্ট কার্ড ও নাগরিকত্ব পেতেও ভাষার উচ্চতর স্তর (B1 ও B2) আবশ্যক করা হয়েছে। বাংলাদেশিদের জন্য নতুন সুযোগ ফ্রান্সে বসবাসরত বহু বাংলাদেশি নাগরিক বর্তমানে নির্মাণ, হোটেল-রেস্তোরাঁ ও পরিচ্ছন্নতা খাতে কাজ করছেন। এ খাতগুলো নতুন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায়, তারা বৈধতার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে, ভাষা জ্ঞান ও অন্যান্য শর্ত পূরণ করাও হবে গুরুত্বপূর্ণ। শ্রমমন্ত্রী আস্ত্রিদ পানোসিঅঁ-বুভে বলেন, ‘এ তালিকাটি শ্রমবাজারের চাহিদা, মানবিক বাস্তবতা ও জাতীয় স্বার্থকে মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে।’ চাকরি বিষয়ক সরকারি সংস্থা ফ্রঁন্স ত্রাবাই পূর্বাভাস দিয়েছে, ২০২৫ সালে কেবল হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতেই তিন লাখ ৩৬ হাজার পদ শূন্য থাকবে, যার অনেকগুলো পূরণে কঠিন চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে। ফরাসি ট্রেড ইউনিয়ন সিজিটির মতে, তালিকাটি রাজনৈতিক সমঝোতার প্রতিফলন হলেও বাস্তব শ্রমবাজার চাহিদা পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি।

​ওমরগনি এম.ই.এস. কলেজ এক্স ক্যাডেট ফোরাম OCECF-এর নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী ওমরগনি এম.ই.এস. কলেজ এক্স ক্যাডেট ফোরাম (OCECF)-এর ৪র্থ সম্মেলন গত ১৬ই জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। উক্ত সম্মেলনে সংগঠনের ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের জন্য ৩১ সদস্য বিশিষ্ট ৫ম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন ও অনুমোদন প্রদান করা হয়েছে।​নতুন নেতৃত্বের ঘোষণা:ফোরামের স্থায়ী পরিষদের পক্ষ থেকে অনুমোদিত এই নতুন কমিটিতে এস. এম. জুলফিকার আলী অনিক (ব্যাচ ২০০৩) সভাপতি এবং এ.টি.এম. কাউসার হাবীব (ব্যাচ ২০০৫) সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।​কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ:৩১ সদস্যের এই শক্তিশালী কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে মোঃ আশিকুর রহমান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মোঃ রায়হানুর আলম সজীব দায়িত্ব পেয়েছেন। এছাড়াও অর্থ, দপ্তর, প্রচার, তথ্য ও প্রযুক্তি এবং সমাজ কল্যাণসহ বিভিন্ন সম্পাদকীয় পদে প্রাক্তন ক্যাডেটদের মধ্য থেকে দক্ষ প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করা হয়েছে।​স্থায়ী পরিষদের অনুমোদন:ওসিইসিএফ স্থায়ী পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাকসুদুর রহমান (রাসেল) এবং মহাসচিব মিজানুর রহমান সজীব স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই কমিটি আগামী ১৫ই জানুয়ারি ২০২৮ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে।​অভিনন্দন ও শুভকামনা:নবগঠিত কমিটির সকল সদস্যকে ফোরামের সাধারণ সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানানো হয়েছে। নতুন এই নেতৃত্বের হাত ধরে ওমরগনি এম.ই.এস. কলেজ এক্স ক্যাডেট ফোরাম আরও শক্তিশালী হবে এবং প্রাক্তন ক্যাডেটদের কল্যাণে গঠনমূলক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

গ্রীণ চট্টগ্রাম এ্যালায়েন্সের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা

শিশুদের রঙতুলিতে ফুটে উঠল পরিবেশ ও প্রকৃতির অনিন্দ্য রূপ গত কাল (২৭ জানুয়ারি), মঙ্গলবার, বিকালে বৃহত্তর চট্টগ্রামের পরিবেশ সংগঠন ‘গ্রীণ চট্টগ্রাম এল্যায়েন্স’র উদ্যোগে নগরীর মোমিন রোডস্থ কদম মোবারক বাই লেনের দৈনিক সাঙ্গু’র কার্যালয়ে পরিবেশ ও প্রকৃতি শীর্ষক শিশুদের উন্মুক্ত চিত্রাঙ্কন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন স্কুলের দুই শতাধিক খুদে শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের রঙ তুলির ছোঁয়ায় পরিবেশ ও প্রকৃতির চিত্র ফুটে ওঠেছে। এতে খুদে মেধাবী শিক্ষার্থীদের রঙতুলিতে পরিবেশ ও প্রকৃতির বিপর্যয় ও জলবায়ু সংকটের নানা অসঙ্গতি প্রস্ফুটিত হয়েছে।গ্রীণ চট্টগ্রাম এ্যালায়েন্স’র সদস্য সচিব স ম জিয়াউর রহমানের সঞ্চালনায় ও খুলশী থানা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এন লেয়াকত হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক ছিলেন দৈনিক সাঙ্গু’র সম্পাদক ও প্রকাশক কবীর হোসেন সিদ্দিকী।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কামরুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধি নুর উদ্দীন, জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম বিভাগের সভাপতি এম নুরুল হুদা চৌধুরী, সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশীপ ফাউন্ডেশনের যুগ্ম মহাসচিব ফারহানা আফরোজ খানম, ফুলের হাসি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সাবরিনা আফরোজ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গ্রীন চট্টগ্রাম এ্যালায়েন্সের সদস্য (মিডিয়া ও কমিউনিকেশন) নজিব চৌধুরী, সদস্য (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি) ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ এমরান, সদস্য (অর্থ ও হিসাব) আকতার হোসেন শাকিল, সদস্য (এডমিন) আকতার হোসেন নিজামী, সদস্য (নারী ও শিশু) জান্নাতুল ফেরদৌস বৃষ্টি, একরামুল হক বাবুল, অধিকার বঞ্চিত শিশু ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইয়াছিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল মোমেন মোল্লা প্রমুখ।পরিবেশ ও প্রকৃতি’র গুরুত্ব তুলে অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এখন আর শুধু ভবিষ্যতের ভয় নয়, এটি ইতিমধ্যেই আমাদের চারপাশে দৃশ্যমান। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি, বৃষ্টিপাতের অনিয়ম, ঘূর্ণিঝড় ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এখন উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।তারা আরও বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নের জন্য সচেতন জীবনধারা গ্রহণ এবং নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার জরুরি। শিশুরা কেবল আগামীর প্রজন্ম নয়, বরং বর্তমান সমাজকেও পরিবেশ সচেতন করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।বিজয়ী শিশুদের মাঝে আকর্ষণীয় পুরস্কার ও অংশগ্রহণকারী সকলের মাঝে সনদ-ফুলের চারা বিতরণ করা হবে। আয়োজক গ্রীণ চট্টগ্রাম এল্যায়েন্স জানায়, এই ধরনের উদ্যোগ সমাজে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি করতে, টেকসই উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।শিশুদের আঁকা ছবি আমাদের সজাগ করেছে, পরিবেশ নিয়ে ভাবতে। প্রধান অতিথি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং সবাইকে একসাথে পরিবেশ রক্ষায় কাজ করার আহ্বান জানান।

শ্রীপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বাবু মজুমদারের নেতৃত্বে ধানের শীষের ভোট প্রার্থনা

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শামীমুর রহমান বাবু মজুমদারের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা সাধারণ ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে মাগুরা-১ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মনোয়ার হোসেন খানের ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেছেন। রবিবার বিকেলে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের সাধারণ ভোটারদের কাছে গিয়ে তারা ভোট প্রার্থনা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিরান্নাহার, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মনোয়ার হোসেন নিলু, উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক সহ-সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন মিয়া, সদর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রস্তাবিত সভাপতি নাজমুল রাজু, সাধারণ সম্পাদক সমশের বিশ্বাস, ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সরজিৎ বিশ্বাস, সদর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মো. লিটন মোল্যা প্রমুখ।

ভেল্লাপাড়া তালীমুল কোরআন একাডেমির বার্ষিক সভা সম্পন্ন।

পটিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী জিরি ইউনিয়নে আধুনিক ও ইসলামি শিক্ষার সমন্বয়ে পরিচালিত ভেল্লাপাড়া তা'লীমুল কুরআন একাডেমি-র বার্ষিক সভা, অভিভাবক সমাবেশ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। গত শনিবার (২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ) একাডেমি প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।সমাজ সেবক আলহাজ্ব মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং ইউনাইটেড স্টারর্স এর সহসভাপতি, শান্তিরহাট ব্যবসায়ী কল্যান সমিতির সভাপতি, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও পটিয়া এস এ টিভি'র চেয়ারম্যান লায়ন হাজী নুরুল আলম সাহেব। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ক্ষুদে ধারাভাষ্যকার  সাইফুদ্দীন।অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খলিলুর রহমান মহিলা ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আবু তৈয়ব। বক্তারা তাদের বক্তব্যে আধুনিক শিক্ষার সাথে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং একাডেমির শিক্ষা কার্যক্রমের প্রশংসা করেন।অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অন্যান্যদের মধ্যে আর উপস্থিত ছিলেন, পটিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান,ডাক্তার এমদাদুল হাসান,অত্র একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালাক,মোঃ আরিফ উদ্দীন, মোহাম্মদ সেলিম, এন.এম জাহাঙ্গীর, মোস্তফা নুর বাপ্পি।ফারুক ফয়সাল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নছরুল্লাহ খান রাশেদ, আনোয়ার হোসেন, লায়ন সাজ্জাদ হোসাইন টিপু, তরুণ সমাজ সেবক তৌহিদ তুহিন, মোহাম্মদ বেলাল, সাইদুর রহমান, আলহাজ্ব কবির, মোহাম্মদ জালাল, মাওলানা ফুজাইরুল্লাহ।একরামুল হক, হাফেজ দিদারুল আলম,মোঃ মনসুর , সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।এবারের আয়োজনে একাডেমির প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত যেসব শিক্ষার্থী গড়ে ৯০ শতাংশ বা তার বেশি নম্বর পেয়েছে, এমন ৫২ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। পুরস্কার হিসেবে তাদের হাতে শিক্ষা সামগ্রী ও ক্রেস্ট তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় আরও উৎসাহিত করবে বলে অভিভাবকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অধিবেশনে আয়োজিত হয় ওয়াজ মাহফিল। এতে দেশবরেণ্য ওলামায়ে কেরামগণ ইসলামের মর্মবাণী তুলে ধরেন। সবশেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

রক্তচাপ কেড়ে নিতে পারে দৃষ্টিশক্তি

চোখের স্ট্রোকের জন্য কি হাইপারটেনশন দায়ী?চোখের চিকিৎসক ডা. সুমন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘হাইপারটেনশনের কারণে চোখের একাধিক ক্ষতি হতে পারে।’ উচ্চ রক্তচাপে চোখের রেটিনার শিরায় ব্লকেজ তৈরি হয়। এর ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই অবস্থাকে ‘সেন্টাল রেটিনাল ভেইন অকুলেশন’ বলা হয়। এটি শিরার পাশাপাশি ধমনীতেও হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডা. মুখোপাধ্যায়। আসলে চলতি ভাষায় এই অবস্থাকেই চোখের স্ট্রোক বলা হয়।সিআরভিও-এ কি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন?সিআরভিও-এর একাধিক উপসর্গ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কমন হলো- হঠাৎ করে একটা চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া। এছাড়া চোখে রক্তপাত হলে চোখের ভিতর কালো ঝুলের মতো অংশ দেখা যায়।‘সিআরভিও-এর চিকিৎসা হলো ইনজেকশন বা রেটিনাল লেজার’ বলেন ডা. মুখোপাধ্যায়। সিআরভিও হলে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঝাপসা দৃষ্টি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানোর মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কতটা ক্ষতিকর?ডা. মুখোপাধ্যায়ের সংযোজন, ‘প্রেশার খুব বেশি থাকলে চোখের ভিতর যে অপটিক নার্ভ থাকে, তারও মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।’ এই অবস্থায় চোখে রক্তপাতও হতে পারে। একে চিকিৎসার ভাষায় হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি বলা হয়।হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি কি গর্ভবতীদেরও হয়?হাইপারটেনশনে ভয় রয়েছে অন্তঃসত্ত্বা নারীদেরও। অনেক সময় গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের ব্লাড প্রেশার অত্যধিক বেড়ে যায়। যাকে বলে প্রেগন্যান্সি হাইপারটেনশন বা ‘একলাম্পসিয়া’। এই অবস্থা তৈরি হলে মস্তিষ্কে রক্তপাত হয়। এই পর্যায়ে পৌঁছনোর ঠিক আগে চোখের উপর প্রভাব পড়ে। দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। এই লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, ‘একলাম্পসিয়া’ খারাপ দিকে এগোচ্ছে ‘অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার কন্ট্রোলে রাখা দরকার কেন?এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় প্রেশার বারবার যাচাই করা দরকার। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ থাকা অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে চোখে রক্তপাত হতে পারে এবং চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

রক্তচাপ কতটা বেড়ে গেলে হার্টঅ্যাটাক হতে পারে

প্রথমত, উচ্চ রক্তচাপ কখন হয় এবং এটি আসলে কী তা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। সহজ কথায়, এটি এমন একটি স্বাস্থ্যগত অবস্থা যেখানে রক্ত পাম্প করার জন্য হৃদপিণ্ডকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাপ প্রয়োগ করতে হয়। এর ফলে, শিরাগুলির উপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, যার কারণে তাদের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। গুরুতর ক্ষেত্রে, শিরা ফেটে যেতে পারে, যা মারাত্মক হতে পারে।উচ্চ রক্তচাপের পরিসীমা কতযদি শরীরের রক্তচাপের পরিসীমা ১২০/৮০ মিমি এইচজি হয় তবে তাকে স্বাভাবিক রক্তচাপ বলা হয়। কিন্তু যখন এই পরিসীমা সিস্টোলিক ১৩০/১৩৯ এবং ডায়াস্টোলিক ৮০ থেকে ৯০ মিমি এইচজি-র মধ্যে পড়ে, তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপের অবস্থা বলা হয়।রক্তচাপের কোন স্তরটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও হার্টঅ্যাটাকের জন্য অনেকাংশে দায়ী। পরিসরের কথা বলতে গেলে, যদি রক্তচাপ ১৪০/৯০ মিমিএইচজি-র উপরে পৌঁছায়, তাহলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে, আপনার অবিলম্বে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত যাতে অবস্থা গুরুতর না হয়।দৃশ্যমান লক্ষণগুলি কী কীরক্তচাপের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এটি কোনও গুরুতর লক্ষণ দেখায় না। এজন্যই একে 'নীরব ঘাতক' বলা হয়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, চোখ লাল হওয়া, বুকে ব্যথা, নাক দিয়ে রক্তপাত এবং বমি বমি ভাব অনুভব করতে পারেন। অতএব, যদি আপনার রক্তচাপের সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মিত আপনার রিডিং পরীক্ষা করে দেখুন এবং গুরুতর অবস্থার ক্ষেত্রে, অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

রক্তচাপ কতটা বেড়ে গেলে হার্টঅ্যাটাক হতে পারে

প্রথমত, উচ্চ রক্তচাপ কখন হয় এবং এটি আসলে কী তা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। সহজ কথায়, এটি এমন একটি স্বাস্থ্যগত অবস্থা যেখানে রক্ত পাম্প করার জন্য হৃদপিণ্ডকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি চাপ প্রয়োগ করতে হয়। এর ফলে, শিরাগুলির উপর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, যার কারণে তাদের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। গুরুতর ক্ষেত্রে, শিরা ফেটে যেতে পারে, যা মারাত্মক হতে পারে।উচ্চ রক্তচাপের পরিসীমা কতযদি শরীরের রক্তচাপের পরিসীমা ১২০/৮০ মিমি এইচজি হয় তবে তাকে স্বাভাবিক রক্তচাপ বলা হয়। কিন্তু যখন এই পরিসীমা সিস্টোলিক ১৩০/১৩৯ এবং ডায়াস্টোলিক ৮০ থেকে ৯০ মিমি এইচজি-র মধ্যে পড়ে, তখন তাকে উচ্চ রক্তচাপের অবস্থা বলা হয়।রক্তচাপের কোন স্তরটি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাও হার্টঅ্যাটাকের জন্য অনেকাংশে দায়ী। পরিসরের কথা বলতে গেলে, যদি রক্তচাপ ১৪০/৯০ মিমিএইচজি-র উপরে পৌঁছায়, তাহলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে, আপনার অবিলম্বে আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত যাতে অবস্থা গুরুতর না হয়।দৃশ্যমান লক্ষণগুলি কী কীরক্তচাপের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এটি কোনও গুরুতর লক্ষণ দেখায় না। এজন্যই একে 'নীরব ঘাতক' বলা হয়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, চোখ লাল হওয়া, বুকে ব্যথা, নাক দিয়ে রক্তপাত এবং বমি বমি ভাব অনুভব করতে পারেন। অতএব, যদি আপনার রক্তচাপের সমস্যা থাকে, তাহলে নিয়মিত আপনার রিডিং পরীক্ষা করে দেখুন এবং গুরুতর অবস্থার ক্ষেত্রে, অবিলম্বে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

‘স্ট্রেস ফ্র্যাকচার’ কী? কেন এ সমস্যায় পুরুষদের চেয়ে নারীরাই বেশি ভোগেন?

তবে যখন আঘাত লাগে, হাড় ভাঙে বা হাড়ে চিড় ধরে, তখন কষ্টের শেষ থাকে না। আর যত্নআত্তির প্রয়োজনও সেই সময়েই পড়ে। তখন সাবধানে থাকতে কী করা উচিত, হাড় ভাল রাখার কী কী ব্যায়াম আছে, কী খেলে হাড় মজবুত হবে— ইত্যাদি বিষয়গুলো নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়। হাড় কীভাবে ভাঙে, কখন ভাঙে, কাদের বেশি হয়— এই নিয়ে সচেতনতা কম মানুষেরই আছে। বড় কোনো দুর্ঘটনা বা আঘাত লাগা ছাড়াও কিন্তু হাড় ভাঙে বা হাড়ে চিড় ধরে, যাকে ‘বোন ফ্র্যাকচার’ বল হয়। তেমনই একটি হল ‘স্ট্রেস ফ্র্যাকচার’ যেই সমস্যাটি নারীদেরই বেশি হয়।‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেল্থ’ থেকে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, পুরুষের চেয়ে নারীরাই হাড়ের স্ট্রেস ফ্র্যাকচারে বেশি ভোগেন। যারা খেলাধূলা বেশি করেন, জিমে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দৌড়ন, জগিং বা ওয়েট ট্রেনিং করেন, অথবা নাচ, অ্যারোবিক্স করেন, তাদের এই ফ্র্যাকচার বেশি হয়।‘স্ট্রেস ফ্র্যাকচার’ কীভাবে হয়?হাড়ের অনেক স্তর থাকে। একেবারে বাইরে একটা পর্দা থাকে, যাকে পেরিঅস্টিয়াম বলা হয়, তারপর থাকে কর্টিকাল বোন, তার মাঝে থাকে মজ্জা। এটি অনেকটা রডের মতো, ত্রিমাত্রিক গঠনের। ওই অংশটি যদি ভেঙে যায় বা থেঁতলে যায়, তখন বলা হয় হাড়ে ‘ফ্র্যাকচার’ হয়েছে। এই বিষয়ে অস্থি চিকিৎসক সুব্রত গড়াই জানাচ্ছেন, প্রধানত ফ্র্যাকচার হয় কোনো ট্রমা বা ইনজুরি থেকে। তাতে হয় হাড় সম্পূর্ণভাবে ভেঙে যায় বা তাতে চিড় ধরতে পারে। হাড়ের সঙ্গে যে পেশি জুড়ে থাকে, সেগুলোতে ক্ষত হয়, হাড়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে বেরিয়ে আসতে পারে। শরীরের কোনো একটি অংশের হাড় ও পেশিতে ক্রমাগত চাপ পড়ার কারণে যখন ওই অংশের পেশি দুর্বল হয় ও হাড়ে চিড় ধরে, তখন তাকে স্ট্রেস ফ্র্যাকচার বলে। এটি গোড়ালি মচকে যাওয়া বা হাত ভেঙে যাওয়ার মতো হঠাৎ করে ঘটা দুর্ঘটনা নয়। দীর্ঘ সময় ধরে হাড়ে চাপ পড়তে পড়তে বা আঘাত লেগে হাড় দুর্বল হয়ে গিয়ে ফ্র্যাকচার হয়।এটি খেলোয়াড়দের বেশি হয়, তবে যারা খুব বেশি দৌড়োদৌড়ি বা ভারি ব্যায়াম করেন, তাদেরও হতে পারে। অস্টিয়োপোরোসিস থেকেও ‘স্ট্রেস ফ্র্যাকচার’ হতে পারে। হাড়ের ভিতরে টিউমার বা কোনো সংক্রমণের কারণে হাড়ের শক্তি কমে গিয়েও এমন হতে পারে। নারীদের রজোনিবৃত্তির পরে ‘স্ট্রেস ফ্র্যাকচার’ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। কারণ ওই সময়ে ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা কমতে থাকে, ফলে শরীরের প্রতিরোধ শক্তিও দুর্বল হয়ে পড়ে।